মাহী ফ্লোরা

তিনটি কবিতা  
১.
একটা নাম বুকের মধ্যে রেখে,
যাই খুঁজে যাই ফুল পাখি আঁকা নরম অতীত!
একটা নাম পাখির মত খাঁচায় পুষি
।
কথা ফোটে-
ফুল মেঘ পাতা জড়িয়ে নামে জোড়া চিঠি,
আপনি তুমি তুই!
অফিস ছুটি-
ডাকাবুকো জলের শব্দ, ছোটে কেবল ছোটে;
রহস্য কেশ ঘোড়ায়!
আপাততুচ্ছ ব্যাঙের ডাকে শীত করে খুব শীত!

২.
কপালপোড়া
তোমার সাথে এবার আমার
গুনে গুনে ৯ টি কথা হবে
।
কালো চোখে কত কথাই থাকে! বড্ড হ্যাপা
।
তোমার গোনা কথার উত্তরে আমার মধ্যবর্তী বয়স
বেড়ে যায়। সে সামলাবে কে?
কপাল পোড়া তোমার এমন হিসেবি চোখ স্রোতের বিপরীতে
রসস্থ আর সাঁতরে সাঁতরে যায়
।
ন এ তখন নৌকো হলে কথাই যদি বাড়ে! বাড়ুক না ছাই
।
বাড়তে বাড়তে ৯৯ হোক
।

পোড়কপালি নিরবতাই শোক!

৩.
অইচ্ছে সকল আমাকে দিয়াছো দাও নাই নীল জোনাকি

ভাবছি এখানে সেখানে নিজেকে ছড়িয়ে রেখে চলে গেছো তুমি! কি যে এলোমেলো। শ্রাবন! প্লাবনের দিন শেষে নৈর্ব্যাক্তিক মেঘ নীল নীল হয়ে ভাসছে।সিগারেটের টুকরা আর ছাইগুলো কার্পেটে পড়েই থাকলো তুমি অন্যমনষ্ক! চুল ছেঁটে হয়ে গেলে নাগরিক।চলে গেলে।নদী খননের দায় কাঁধে চাপিয়ে তুমি কেমন নিশিপিপাসু! সমস্তখানে নিজেকে ছড়িয়ে তোমার মনে পড়ে গেছে প্রাচীন; পূর্বজন্মশাপে। চেতনানিবাসে এতক্ষণ একলা রেখে হাঁটছো শরতের পথে একাকী!তুমি চলে গেছো। আমার ও ইচ্ছে করেকাটাই ভ্রান্তির কাল। একাএবং অবশেষ শ্রাবনের সাথে। তুমিওতো আমার মতই ঝরতে ঝরতে স্বপ্নক্লান্ত! বোধের ভেতর থেকে বর্ন আসে। কেন আমাকে তুমি বৃষ্টি এনে দাও। আজ নদী দেখি।জলের সাহস। আকাশের লাল নিয়ে ডুবিয়ে দিয়েছে নীল নাগরদোলা! জল দেখি। মেজাজের বান।দেখি তুমি কতদূর যাও!



মন্তব্যসমূহ